কেন্দ্র দখল ঠেকাতে পারলেই ১১ দলীয় জোটের বিজয় নিশ্চিত: আসিফ মাহমুদ

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৩৯ অপরাহ্ণ   |   ৪২ বার পঠিত
কেন্দ্র দখল ঠেকাতে পারলেই ১১ দলীয় জোটের বিজয় নিশ্চিত: আসিফ মাহমুদ

রায়হান চৌধুরী, মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

 


এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ভোটকেন্দ্র দখল ও অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনার সংস্কৃতির কারণেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কায়কোবাদ অতীতে বারবার নির্বাচিত হয়েছেন।


তিনি দাবি করেন, যদি এবার ভোটকেন্দ্র দখল রোধ করা যায়, তাহলে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেল বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।


বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লা-৩ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেলের পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


আসিফ মাহমুদ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকারের একটি বাস্তব চিত্র সামনে আসবে। বিগত ১৭ বছরের নিপীড়নের পর ক্ষমতায় না থেকেও একটি দল গত ১৭ মাস ধরে মানুষকে একই ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করেছে। এই বাস্তবতা থেকেই ১১ দলীয় ঐক্য জোট গড়ে তোলা হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, আপনারা যদি ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে নির্বাচিত করেন, তাহলে নির্বাচনের এক মাসের মধ্যেই কুমিল্লাকে বিভাগ এবং বাঙ্গরাকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হবে।


আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, যারা মুরাদনগরের উন্নয়ন চায় না এবং সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব হোক তা কামনা করে না, তারাই কুমিল্লাকে বিভাগ ও বাঙ্গরাকে উপজেলা ঘোষণার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আগের মতো কেন্দ্র দখল করে তারা যদি আবার নির্বাচিত হয়, তাহলে মুরাদনগরে আমরা যে উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছি যা তারা পাঁচবার নির্বাচিত হয়ে ২৫ বছরেও করতে পারেনি—সেসব কাজ ধ্বংস করে দেওয়া হবে।


তিনি বলেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ ও আগামী পাঁচ বছর সঠিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেলকে ভোট দেবেন।


গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যাতে বাংলাদেশে আর কখনো শেখ হাসিনার মতো কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি বা স্বৈরাচার ক্ষমতায় ফিরে আসতে না পারে এবং মুরাদনগরের মানুষ আবার দীর্ঘদিন বৈষম্যের শিকার না হয় সে জন্য সবাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।


পথসভায় জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেলসহ জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনগণ উপস্থিত ছিলেন।